গেমিং আনন্দের জন্য — এটা আয়ের উৎস বা মানসিক চাপ মুক্তির হাতিয়ার নয়। egames বিশ্বাস করে প্রতিটি খেলোয়াড় সুস্থভাবে, নিরাপদে আনন্দ নেওয়ার অধিকারী।
egames আপনার গেমিং সুস্থ রাখতে এই বিশেষ সরঞ্জামগুলো দিয়েছে
দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন। একবার সেট করলে লিমিট কমানো তাৎক্ষণিক, বাড়ানোর আগে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা বাধ্যতামূলক।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ কতটুকু হারাতে পারবেন তার সীমা নির্ধারণ করুন। সীমায় পৌঁছালে আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে থামিয়ে দেওয়া হবে।
একটানা কতক্ষণ খেলবেন তার সময়সীমা ঠিক করুন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয় লগআউট হবে এবং বিরতি নেওয়ার রিমাইন্ডার আসবে।
প্রতি ৩০, ৬০ বা ৯০ মিনিটে একটি পপ-আপ নোটিফিকেশন দেখাবে — কতক্ষণ খেলছেন, কতটা জিতেছেন বা হেরেছেন। সচেতন থাকুন, সিদ্ধান্ত নিন।
২৪ ঘণ্টা থেকে ৩০ দিনের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িক বিরতিতে রাখুন। এই সময়ে লগইন করা যাবে না, কিন্তু অ্যাকাউন্ট বা ব্যালেন্সে কোনো প্রভাব পড়বে না।
৬ মাস, ১ বছর বা স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সুবিধা। সক্রিয় হলে egames থেকে কোনো প্রমোশনাল মেসেজও পাঠানো হবে না।
দায়িত্বশীল খেলা মানে হলো গেমিংকে বিনোদনের একটি মাধ্যম হিসেবে দেখা — জীবিকার উপায় বা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি হিসেবে নয়। egames বাংলাদেশের গেমিং সংস্কৃতিতে এই সুস্থ দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
সত্যি কথা হলো, যেকোনো ধরনের গেমিং বা বেটিং-এ ঝুঁকি থাকে। বেশিরভাগ মানুষ দায়িত্বশীলভাবে খেলেন — নির্দিষ্ট বাজেটে, বিনোদনের জন্য। কিন্তু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে গেমিং একটি সমস্যায় পরিণত হতে পারে। egames চায় আমাদের সদস্যরা সেই সীমারেখা চেনেন এবং প্রয়োজনে সাহায্য চান।
দায়িত্বশীল গেমিং মানে খেলা বন্ধ করা নয় — মানে হলো সচেতনভাবে, নিয়ন্ত্রণের মধ্যে খেলা।
egames-এ দায়িত্বশীল খেলা নিশ্চিত করতে আমরা কয়েকটি মূলনীতি মেনে চলি। প্রথমত, আমরা কখনো সদস্যদের প্রয়োজনের বাইরে খেলতে উৎসাহিত করি না। আমাদের বিজ্ঞাপন বা প্রমোশনে কখনো দাবি করা হয় না যে বেটিং বা গেমিং থেকে নিয়মিত আয় করা সম্ভব। দ্বিতীয়ত, আমরা আমাদের সদস্যদের গেমিং প্যাটার্ন পর্যবেক্ষণ করি এবং সন্দেহজনক পরিবর্তন দেখলে সরাসরি যোগাযোগ করি।
তৃতীয়ত, egames অপ্রাপ্তবয়স্কদের গেমিং থেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে রাখে। ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ যদি নিবন্ধন করার চেষ্টা করেন, তাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হবে। পরিবারের অভিভাবকরা চাইলে বিভিন্ন প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো — গেমিং আসক্তি একটি স্বীকৃত মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এটা দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং এটা এমন একটি অবস্থা যা অনেক মেধাবী, পরিশ্রমী মানুষের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে। egames চায় আমাদের সদস্যরা কোনো বিচার বা লজ্জা ছাড়াই সাহায্য চাইতে পারেন।
লিমিট সেটিংস অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে যেকোনো সময় দেখা ও পরিবর্তন করা যাবে।
সহজ কয়েকটি ধাপে আপনার গেমিং সীমা নির্ধারণ করুন
egames অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগইন করুন এবং উপরের ডান কোণে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
প্রোফাইল মেনু থেকে "দায়িত্বশীল খেলা" বা "Responsible Gaming" অপশনটি খুঁজে নিন।
ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইম, লস লিমিট বা কুলিং অফ — যেটা প্রয়োজন সেটা সেট করুন।
SMS বা ইমেইল যাচাইয়ের মাধ্যমে সীমা নিশ্চিত করুন। লিমিট কমানো তাৎক্ষণিক কার্যকর হবে।
সেলফ-এক্সক্লুশন চালু হলে নির্ধারিত মেয়াদের আগে অ্যাকাউন্ট পুনরায় সক্রিয় করা যাবে না। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে কঠিন রাখা হয়েছে, যাতে এই সুরক্ষা সত্যিকারের কাজে লাগে।
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হন। এগুলো গেমিং সমস্যার প্রাথমিক সংকেত হতে পারে।
বাজেটের বাইরে গিয়ে বেট করছেন, বা হারানো টাকা ফিরে পেতে আরও বেশি বেট করছেন।
গেমিং নিয়ে মিথ্যা বলছেন — পরিবার বা বন্ধুদের কাছে লুকাচ্ছেন কতটা খেলছেন।
খেলতে না পারলে বিরক্ত, অস্থির বা উদ্বিগ্ন বোধ করছেন।
ঘুম, খাওয়া বা কাজের চেয়ে গেমিংকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
গেমিংয়ের জন্য ঋণ করছেন বা অন্যের কাছ থেকে টাকা ধার নিচ্ছেন।
গেমিং বন্ধ করতে চাইছেন কিন্তু পারছেন না।
যদি উপরের যেকোনো একটি লক্ষণও চিনতে পারেন, দয়া করে egames সাপোর্ট টিমে যোগাযোগ করুন। আমরা বিচার করব না — শুধু সাহায্য করব।
নিচের প্রশ্নগুলো নিজের কাছে সৎভাবে জিজ্ঞেস করুন:
গেমিংয়ে আপনি কি নিজে নির্ধারিত বাজেটের বাইরে চলে যান?
হেরে গেলে কি "এবার জিতবই" ভেবে আরও বেশি বাজি ধরেন?
গেমিং না করলে কি মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়?
পরিবার বা কাছের মানুষরা কি আপনার গেমিং নিয়ে উদ্বিগ্ন?
গেমিংয়ের কারণে কি পড়াশোনা, চাকরি বা সম্পর্কে সমস্যা হচ্ছে?
আপনি কি গেমিং বন্ধ করার কথা ভেবেছেন কিন্তু পারেননি?
যদি এক বা একাধিক প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাপোর্ট টিমের সাথে কথা বলুন। সাহায্য চাওয়াটাই সবচেয়ে সাহসী পদক্ষেপ।
এই সহজ অভ্যাসগুলো গড়ে তুললে গেমিং সবসময় আনন্দদায়ক থাকবে
প্রতি সেশনে কতটুকু খরচ করবেন সেটা আগেই ঠিক করুন। সেই বাজেট শেষ হলে থামুন — পরিস্থিতি যাই হোক।
দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ কতক্ষণ খেলবেন তা আগেই ঠিক করুন। টাইমার বা অ্যালার্ম ব্যবহার করুন।
গেমিং দিয়ে আয় করার প্রত্যাশা রাখবেন না। যা হারাবেন তা বিনোদনের মূল্য হিসেবে দেখুন।
রাগান্বিত, দুঃখিত বা মানসিক চাপে থাকলে খেলবেন না। এই অবস্থায় ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়।
প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১০ মিনিটের বিরতি নিন। উঠুন, পানি খান, হাঁটুন।
পরিবার ও বন্ধুরা যদি উদ্বিগ্ন থাকেন, তাঁদের কথা শুনুন। তারা আপনার মঙ্গল চান।
egames-এ যোগ দিন — যেখানে আনন্দ আর নিরাপত্তা হাতে হাত ধরে চলে। আজই নিবন্ধন করুন এবং দায়িত্বশীল গেমিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।
গেমিং সমস্যায় সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করুন: [email protected] — ২৪/৭ লাইভ চ্যাট সাপোর্ট।